Monday, September 30, 2013
সে
আমার ধুকপুক । আমার আতংক ও উচ্ছ্বাস । মুক্তি ও বিষাদ । সে আমার অবসরকাল ।
২০১৪ নভেম্বর এর প্রথমদিন থেকে তার সঙ্গে আমার আমৃত্যু সহবাস । সে আসছে,
বলে, নিজেকে ঝালিয়ে নিচ্ছি । ঝুলকালি পরিস্কার করে ঝকঝকে করে রাখছি আমার মন
। প্রেমিকের মতো । ভুল বললাম, আমি তো তার প্রেমিকই । তার হাত ধরে ঘুরে
আসবো সিনিয়র সিটিজেনদের নির্জন দ্বীপ । শুয়ে থাকবো বালির উপরে । সমুদ্রকে
ডেকে আনবো ঘরের কাছে । সমুদ্র বলতেই মনে পড়ে গেলো, নুলিয়ার কথা । আমিও কি
নুলিয়া নই এ জীবনে ? কিছুটা সাঁতার আমিও কাটিনি কখনও ? তবে. সাঁতারের চেয়ে,
নাকে-মুখে জল নিয়ে আমি কি তাকিয়ে থাকিনি তার দিকে ? সে আমার মরণ, আমার
অথর্ববেদ !
সবচেয়ে
সহজ কাজ কবিতা লেখা । যা খুশি লিখে ফেললেই হলো । এ বিষয়ে, আমাদের এক
পরিচিত ভদ্রলোক, সত্য নন্দী, বলেছিলেন, খবরের কাগজের ডাবল কলমের এক
রিপোর্টকে ব্লেড দিয়ে মাঝখানে কেটে দিলে, যা দাঁড়াবে, তাই আধুনিক কবিতা ।
এবং তিনি তা প্র্যাকটিক্যালি করে দেখিয়েছিলেন । "যুবতী দেখেনি সন্ধ্যায়/
আসিল পুলিশ কাঁটাতার/ থেকে আসে লোক/বলিল সে /দায়ী ঐ রাত..." এভাবেই লেখা
হচ্ছে, "দেয়াল থেকে বেরিয়ে এল ঘর, / হ্রেষা থেকে ঘোড়া, শীত্কার থেকে রমণ গেছে উড়ে" ইত্যাদি ইত্যাদি । সন্দেহ নেই, ফুলপাখিলতাপাতানীলাকাশমেঘপ্রেমাদি
নিয়েও লেখা হচ্ছে খুব । কত সহজ এসব লেখা । তারপর অর্থ না বুঝতে পারলেও
ক্ষতি নেই, উত্পল কুমার বসুর মত বললেই হলো, চিন্তা নেই, আমাদের কালুবাবু
আছেন ।
সবচেয়ে
সহজ কাজ কবিতা লেখা । যা খুশি লিখে ফেললেই হলো । এ বিষয়ে, আমাদের এক
পরিচিত ভদ্রলোক, সত্য নন্দী, বলেছিলেন, খবরের কাগজের ডাবল কলমের এক
রিপোর্টকে ব্লেড দিয়ে মাঝখানে কেটে দিলে, যা দাঁড়াবে, তাই আধুনিক কবিতা ।
এবং তিনি তা প্র্যাকটিক্যালি করে দেখিয়েছিলেন । "যুবতী দেখেনি সন্ধ্যায়/
আসিল পুলিশ কাঁটাতার/ থেকে আসে লোক/বলিল সে /দায়ী ঐ রাত..." এভাবেই লেখা
হচ্ছে, "দেয়াল থেকে বেরিয়ে এল ঘর, / হ্রেষা থেকে ঘোড়া, শীত্কার থেকে রমণ গেছে উড়ে" ইত্যাদি ইত্যাদি । সন্দেহ নেই, ফুলপাখিলতাপাতানীলাকাশমেঘপ্রেমাদি
নিয়েও লেখা হচ্ছে খুব । কত সহজ এসব লেখা । তারপর অর্থ না বুঝতে পারলেও
ক্ষতি নেই, উত্পল কুমার বসুর মত বললেই হলো, চিন্তা নেই, আমাদের কালুবাবু
আছেন ।
এই নাও, দ্রৌপদীর শাড়ি, এই নাও, পাশা খেলা,
পুনরায় শুরু হোক আমাদের অজ্ঞাতবাসের দিনগুলি ।
পকেটে তামাক রেখো, চুয়াক বনেই পাবো, বন মোরগের ঝুঁটি সহ,
কার্তুজ শিকারপর্বে লাগে, রেখে দিও ।
চা ও কফি সঙ্গে নিও । কোথায় লুকোবো ঠিক নেই,
দু একটা বর্ষাতি রাখতে পারো । মশারিও নেবে ?
খাগড়াছড়ির দিকে এসব পাবে না । নিও সব । হাতঘড়িটিও নিও ।
সীমান্ত প্রহরী এলে, বলো, পাশা খেলা ছাড়া আমাদের কোনো খেলা নেই ।
পুনরায় শুরু হোক আমাদের অজ্ঞাতবাসের দিনগুলি ।
পকেটে তামাক রেখো, চুয়াক বনেই পাবো, বন মোরগের ঝুঁটি সহ,
কার্তুজ শিকারপর্বে লাগে, রেখে দিও ।
চা ও কফি সঙ্গে নিও । কোথায় লুকোবো ঠিক নেই,
দু একটা বর্ষাতি রাখতে পারো । মশারিও নেবে ?
খাগড়াছড়ির দিকে এসব পাবে না । নিও সব । হাতঘড়িটিও নিও ।
সীমান্ত প্রহরী এলে, বলো, পাশা খেলা ছাড়া আমাদের কোনো খেলা নেই ।
এই নাও, দ্রৌপদীর শাড়ি, এই নাও, পাশা খেলা,
পুনরায় শুরু হোক আমাদের অজ্ঞাতবাসের দিনগুলি ।
পকেটে তামাক রেখো, চুয়াক বনেই পাবো, বন মোরগের ঝুঁটি সহ,
কার্তুজ শিকারপর্বে লাগে, রেখে দিও ।
চা ও কফি সঙ্গে নিও । কোথায় লুকোবো ঠিক নেই,
দু একটা বর্ষাতি রাখতে পারো । মশারিও নেবে ?
খাগড়াছড়ির দিকে এসব পাবে না । নিও সব । হাতঘড়িটিও নিও ।
সীমান্ত প্রহরী এলে, বলো, পাশা খেলা ছাড়া আমাদের কোনো খেলা নেই ।
পুনরায় শুরু হোক আমাদের অজ্ঞাতবাসের দিনগুলি ।
পকেটে তামাক রেখো, চুয়াক বনেই পাবো, বন মোরগের ঝুঁটি সহ,
কার্তুজ শিকারপর্বে লাগে, রেখে দিও ।
চা ও কফি সঙ্গে নিও । কোথায় লুকোবো ঠিক নেই,
দু একটা বর্ষাতি রাখতে পারো । মশারিও নেবে ?
খাগড়াছড়ির দিকে এসব পাবে না । নিও সব । হাতঘড়িটিও নিও ।
সীমান্ত প্রহরী এলে, বলো, পাশা খেলা ছাড়া আমাদের কোনো খেলা নেই ।
Subscribe to:
Posts (Atom)