পাশে বেডটাইম স্টোরি, এশট্রে, সিগারেট, হুইস্কির গ্লাস পাশে মহাভারত, এজরা পাউণ্ড, দুমড়ানো বালিশ, টেলিফোন পাশে কলম, একটা ডায়েরি, দু-একটা না লেখা কবিতা পাশে ঘুমের বড়ি, জলের গ্লাস, স্বপ্নহীন হাতপাখা পাশে হাতঘড়ি, কাঁটা নেই, চশমা আর, গ্রাফিত্তির বিপাশা বসু
শুধ, তুমি নেই, কেবল নিদ্রাহীন এই রাত্রির হু হু স্তব্ধতা !
না দেখা স্বপ্নের মত সুন্দর তুমি, সন্ধ্যা... লোকে জানে, বিকেলের অর্ধছায়াপাত, মনোনিবেশের মত পায়ে চলে এসো, এই ঘরে ! নক্ষত্র জ্বলুক দেয়ালে দেয়ালে, আর রাত্রি তার কথাকলি নেচে যাক...
নৃশংস শিশুহত্যা !
ইজরায়েলের এই তাণ্ডব থামাতে কোনো রাষ্ট্র এগিয়ে আসছে না !যে গোপন
ধর্মযুদ্ধ চলে আসছে পৃথিবী দখলের নামে, এটা তার অ ঙ্গ ! খৃস্টান ভার্সাস
মুসলিম ! আমি সামান্য এক লোক, তবু এর প্রতিবাদ করছি !
মার্ক্সসাহেব বুঝেছিলেন, অর্থই মূল । ফ্রয়েডসাহেব বুঝেছিলেন, যৌনতাই সার । রুশো অনুভব করেছিলেন, মানুষের মুক্তি নেই কোথাও । মাও দে জং জেনেছিলেন, বন্দুকের নলই ক্ষমতার উৎস । রামকৃষ্ণ বুঝেছিলেন, যত মত তত পথ । যিশু ত্যাগের মহিমাকেই ভেবেছিলেন সার । ভারতীয় ঋষিরা উপলব্ধি করেছিলেন, চরৈবতি । চলাই জীবন । মহম্মদের এক হাতে তরবারি, অপর হাতে কল্যাণমুদ্রা । গৌতমবুদ্ধ জেনেছিলেন, নির্বানই সার । চাষী জানে, কৃষিই জগত । শ্রমিক পিস্টন ।
আর, কবি জানেন, ভালোবাসাই আসল ।
আমি এক মূর্খ পাঠক, এসব কিছুই না জেনে, তাকিয়ে আছি ভাঙা সেতুটির দিকে !
রাস্তা
ঐ রাস্তা, পদ্মরাগ রঙ যার উপর ঢেলে দিয়ে চলে গেছে কেউ, মনে হয়, সূর্যাস্ত হবার আগে, পৌঁছে যাবে তোমার কাছে । সূর্যাস্ত কোথায় হয়, তুমি জানো ? আমার তো সূর্যোদয় নেই, সূর্যাস্ত নেই । তবু, ঐ রাস্তা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি তোমার দিকে ।