প্রেম বলিয়া কিছু নাই, যাহা আছে তাহা মোহমুদ্গর । এই কথা যে বলেছিলো, আজ তার কথা খুব মনে পড়ে ।
Thursday, February 20, 2014
ঐ
জানালাটির নাম রাখি বন্ধু । এই মন খারাপের দিনে, সে এনেছে চুল ওড়ানো
হাওয়া, আর মাদীফুলের সবুজ গন্ধ । এই খোলা বইটির নাম দিই সঙ্গী । প্রতিটি
অক্ষর দিয়ে মুছে দিচ্ছে ক্লান্তি । আর ঐ ঘরের বিছানাটি, যে অপেক্ষা করে
আছে, রাত হলে, তার বুকে মুখ গুঁজে শুয়ে পড়ব কখন, তার নাম দিই বউ । আজ আর
একা নই, কোকিল ডাকবে বলে বসে নেই, এই অসম্ভব রাতে, মেতে উঠেছি তাদের নিয়ে,
আর খেলাটির নাম রাখি, প্রেম ।
মতিচ্ছন্ন
দুপুরের বুকে হাত রেখে বুঝেছি, উষ্ণতা কাকে বলে । উঠছে নামছে উঠছে নামছে ।
তার নাকফুলে লেগে আছে এক ফোঁটা ঘাম । ঘাম নয়, স্বেদ । সমগ্র জগত তখন দুলছে
। বন্ধ ঘরে চিত্ হয়ে শুয়ে আছে দুপুর, শরীর নগ্ন, এই দৃশ্যে কামপরবশ
কালিদাস লিখে উঠবেন আর এক কুমারসম্ভব । কালিদাস নই, সামান্য লেখক আমি,
পরজন্ম থেকে বসে আছি দুপুরের সঙ্গে, দেহের অতীত এ খেলায় ।
কাল
আমি রাজা । যে যা চাইবে, সব দিয়ে দেবো । খাজাঞ্চিকে বলে দিয়েছি, ভাণ্ডারের
অর্গল খুলে দিতে । কোটালকে বলেছি, কারও কোনো সমস্যা যেন না হয় । সকাল থেকে
প্রস্তুত থাকে যেন রাজকর্মচারিগণ । বসন্তসেনাকেও খবর দিতে বলেছি কবি মাঘ
সহ আসতে । প্রধানমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছি, নিজে দাঁড়িয়ে থেকে সব দেখভাল
যেন করেন । ভ্যালেনটাইন ডে বলে কথা ! আজ চুমু খেয়েছে সবাই, তারপর কাল কি
হবে, এটা যেন আর বলে দিতে না হয় । আমার রাজ্যের প্রধান ধর্ম প্রেম ।
ধর্মপালন রাজার কর্তব্য ।
১৯৭৯
সালে বিষ্ণুপ্রিয়া মনিপুরী ভাষায় একটা উপন্যাস ধারাবাহিকভাবে এক সাপ্তাহিক
কাগজে লিখতে শুরু করেছিলাম, যা শেষ করতে পারিনি কাগজটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ।
উপন্যাসটির নাম ছিল, বাংলায়, তারই খোঁজে । একটি ছেলে যে মেয়েটিকে ভালোবাসে,
ঐ মেয়েটি ছেলেটিকে ভালোবাসে না । সে ভালোবাসে আর একটি পুরুষকে অথচ ঐ
পুরুষটি ভালোবাসে আর এক মেয়েকে । এই জটিলতা ছিলো উপন্যাসটির উপজীব্য ।
একদিন গ্যাংরেপড হয় মেয়েটি, তখন তার পাশে এসে দাঁড়ায় সে যাকে ভালোবাসতো না ঐ
ছেলেটি । হায়, ঐ ধারাবাহিকটির কোনো কপি চিরঅগোছালো আমার কাছে নাই ! এখন
যদি আবার লিখতে পারতাম...
Subscribe to:
Posts (Atom)