Thursday, July 17, 2014

গল্পটা সকলের জানা, তবু মাঝে মাঝে হানা দেয় অপরিচিতের মত, অবয়বহীন না কি মুণ্ডহীন, কণিষ্কের মত সে দাঁড়িয়ে থাকে, কোনো এক পাঠকের অপেক্ষায়, অনাদিকালের পাঠক সে, পাঠোদ্ধার করবে বিবর্ণ অক্ষরগুলি লেহন করতে করতে !

গল্প ও পাঠক থেকে দূরে আমার মূষিকজন্ম ত্রাণশিবিরের ডাল ও লবণে খুঁজে নিচ্ছে পরমার্থ !
না লেখার সুবিধা অনেক !
আমি এখন দিব্যি না লিখে দিন কাটাই ! শুয়ে শুয়ে !
অবসরজীবন ? না কি অর্থহীন জীবন ?
শূন্যের সন্তান আমি, হাত ভরে নিয়েছি সকল শূন্যতা !

না লেখার সুবিধা এই, ভাবতে পারি !
একে একে নিভিছে দেউটি...
কথাটা অনুভব করি ! যাদের আশা ছিল খুব, উচ্চাকা ঙ্খা খুব, তাদের দলে, রিজার্ভ বে ঞ্চে বসার ইচ্ছে ছিলো না কোনোদিন ! সান্নিধ্যপ্রিয়তা কথাটা ভুল না সঠিক, জানি না আজও ! জীবন দুদিন বৈ তো কিছু নয়, জানি বলে, কলম ধরেছিলাম বাজি রেখে ! প্রতিভাহীন, কল্পনাহীন, শিক্ষাহীন, এক লোক আমি ! ভালোবাসাকে ধর্ম মেনে শব্দকে করেছি পূজা !
ই-কারই শক্তি, জেনে, রাত্রির ভজনাও করেছি !
সন্ধ্যাই সত্য, জেনে, আহ্নিকের বদলে মজেছি তার রূপে !
ফলে, একে একে মুছে যাচ্ছে শব্দ, বাক্য, কারক, সন্ধি ও সমাস !
দেউটির মত নিভে যাচ্ছে তারা !
এইডা আমার কথা না !
এইডা তোমার কথাও না !

এইডা ঐ পোলাডার কথা, যে কাইল কাঁঠাল গাছো ফাঁসি দিয়া মইরা গেছে !

ভালা তো বাসছিলাই বালা, তয় তুমি রোজ আইন্ধার রাতো, একা একা, কান্দো ক্যান ?
যাও বাতাস, তারে কইও,ভাটির স্রোত অইছে মেলা ! এবার উজান বাইয়া একবার যেন আইন !
মেলা কাটাকাটি অইছে !ভীমবেটকার গুহা আর কলি ঙ্গ পলাশী গাজা কান্দাহার বাদ নাই !
অহন কাটাকাটি বাদ দিয়া উজান বাওয়ার দিন !
যাও, চাইও, পথো সুন্দরী দেইখ্যা ভুইলা যাইও না ! তোমার মতিগতি তো আবার ভালা না !
যদুবংশ ধ্বংস হয়েছিলো আত্মঘাতী কলহে, মানুষ ধ্বংস হবে পরস্পর হানাহানি করে !
রুখনেওয়ালা কোঈ নেহি !
প্রেম নয়, প্রীতি নয়, সচ্ছ্বলতা নয়,
আর এক বিপন্ন বিষ্ময়
আমাদের অন্তর্গত রক্তের ভেতরে
খেলা করে
খেলা করে
আমাদের ক্লান্ত করে
ক্লান্ত, ক্লান্ত করে !